|
যক্ষ্মারোগ নির্মুলে নানা ধরনের সচেতনতামূলক কর্মকান্ড সত্বেও পটুয়াখালীতে যক্ষ্মা রোগে মৃত্যুহার বাড়ছে। পটুয়াখালীতে বিগত ৬ মাসে যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়ে ২৯ জন মারা গেছে। ২৭ জুলাই মঙ্গলবার পটুয়াখালীতে স্থানীয় স্বাস্থ্য দপ্তর, পটুয়াখালী প্রেসকাব ও ব্রাকের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত গোল টেবিল বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়।
সভায় আরও জানানো হয় যে, ২০০৯ সালে পটুয়াখালী জেলায় মোট ১৭ হাজার ৫৩ জন সন্দেহজনক রোগীর কফ পরীক্ষা করা হয় এবং ১ হাজার ৬৬৩ জন রোগীকে সনাক্ত করা হয়। ঐ বছরই এ রোগে আক্তান্ত হয়ে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়। ২০১০ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত জেলায় মোট ১ হাজার ৬৬৭ জন রোগী সনাক্ত করা হয় এবং এ সময়ে জেলায় ২৯ জন রোগী মারা যায় যক্ষ্মায়।
এ রোগ নির্মুলে স্বাস্থ্য দপ্তর, ব্রাকের উদ্যোগে সচেতনতামূলক নানামুখী কর্মকান্ড পরিচালনা করা হলেও সম্প্রতি জেলায় এ রোগে মৃত্যুহার বেড়ে যাওয়ায় সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
স্থানীয় সিভিল সার্জন অফিসের হলরুমে আয়োজিত এ গোল টেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রেসকাবের সভাপতি স্বপন ব্যানার্জী। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. জগন্নাথ পাল, বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মো. আলমগীর হোসেন, জেলা তথ্য অফিসার রিয়াদুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডা. জসিম উদ্দিন মুকুল, ব্রাকের বিভাগীয় স্বাস্থ্য সমন্বয়কারি খায়রুল বাশার প্রমুখ। সভায় বিএমএ পটুয়াখালী শাখার সভাপতি ডা. মিজানুর রহমান, প্রেসকাবের সাবেক সভাপতি অতুল চন্দ্র দাস, মো. জাকির হোসেন, আবু জাফর খান, সাংবাদিক জালাল আহমেদ, কোর্ট জামে মসজিদে পেশ ইমাম মাওলানা মোজাফ্ফর আহমেদ জেহাদী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্রাকের ম্যানেজার বজলূর রশীদ খান ও মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্রাকের খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারি প্রীতি রঞ্জন দত্ত।
পটুয়াখালী প্রতিনিধি। |