দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল জুড়ে ছড়ানো মানুষের জীবন আমাদের মূল স্রোত । তাই বলে বাদ যাবে না জাতীয় কিংবা আন্তর্জাতিক অঙ্গনের শীর্ষ সংবাদও । আমাদের সাথে থাকা মানে দেশের মানুষের সাথে থাকা । আমাদের সাথে থাকা মানে বিশ্বের সাথে যুক্ত থাকা ।
সাম্প্রতিক / সর্বশেষ সংবাদ
‘জনস্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটে’ সনাতন পদ্ধতিতে চলছে জলাতংক রোগের প্রতিষেধক উৎপাদন
প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছর পরও আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি সরকারি পর্যায়ে দেশের একমাত্র ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ‘জনস্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটে’। চলছে সনাতন পদ্ধতিতে জলাতংক রোগের প্রতিষেধক র্যাবিস ভাকসিন উৎপাদন। তবে কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতিষ্ঠানটিকে আধুনিক করে সব ভ্যাকসিন উৎপাদন সম্ভব। আইভি ফুইড স্যালাইন এর সঙ্গে একসময় কলেরা এবং টিটেনাসের ভ্যাকসিন তৈরী হতো জনস্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটে। সাপে কাটার ওষুধ ‘এন্টিসিরা‘ উৎপাদনের পরিকল্পনাও হয়। দেশের বাইরে থেকে আনা হয় উন্নত জাতের ঘোড়া। তবে ১৫ বছর আগের এ উদ্যোগ এখনো আলোর মুখ দেখেনি। অযতœ অবহেলায় বেশিরভাগ ঘোড়ার মৃত্যুর পর বেঁচে আছে মাত্র দুটি। র্যাবিস ভ্যাকসিন উৎপাদনে টিস্যু ক্যালচার সর্বাধুনিক ও কার্যকর উপায় হলেও জনস্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটে ভেড়ার মগজ দিয়ে সনাতন পদ্ধতিতে চলছে ভ্যাকসিন উৎপাদন। আর উৎপাদন কম হচ্ছে বলে দূর দূরান্ত থেকে আসা গরিব রোগিদের দেয়া যাচ্ছে না পুরো ডোজ। বছরে ভ্যাকসিন উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ৫০ থেকে ৫৫ লাখ সিসি হলেও ৪০ লাখের বেশি উৎপাদন করা যাচ্ছে না। মূল কারণ কাঁচামালের সংকট। কর্মকর্তারা বলছেন, টিস্যু ক্যালচার পদ্ধতিতে ভ্যাকসিন উৎপাদন করা গেলে উৎপাদন যেমন বাড়বে তেমনি কম ডোজেই চিকিৎসা দেয়া যাবে রোগিদের।