ভারত-বাংলাদেশ জয়েন্ট গ্র“প অব কাস্টমস এর এক জরুরী সভা বুধবার বিকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে বেনাপোল চেকপোস্টের বিপরীতে ভারতীয় পেট্রাপোল কাস্টমস অফিসে। আমদানি-রফতানি বানিজ্যে বিরাজমান সমস্যা সমাধানের লক্ষে কাস্টমস কমিশনার পর্যায়ে এটি দ্বিতীয় সভা। এর আগে গত ২৭ জুলাই-০৯ তারিখে বেনাপোল কাস্টমস হাউজে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম সভা। সভায় ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন কোলকাতা কাস্টমস কশিমশনার শ্রী চন্দ্রভান ও বাংলাদেশের পক্ষে বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার ড. আব্দুল মান্নান শিকদার।
বাংলাদেশ থেকে রফতানিকৃত পন্যবাহী ট্রাক পৃথক ভাবে না গিয়ে এক সাথে প্রবেশ, ভারত থেকে বেনাপোল বন্দরে পন্যবাহী ট্রাক প্রবেশের পর ড্রাইভার ও হেলাপারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের সাথে বেনাপোল বন্দরের নির্মানাধীন বাইপাস সড়ক দ্রুত নির্মান, আমদানি ও রফতানিকৃত পণ্যবোঝাই ট্রাক উভয় বন্দরে প্রবেশের সময় সীমা ৬ টা থেকে বাড়িয়ে ৬-৩০ মিঃ করন, নোম্যান্সল্যান্ড এলাকায় পাসপোর্ট যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য যাত্রী ছাউনী নির্মান, ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে টেস্টিং ফ্যাসিলিটি না থাকায় বাংলাদেশী পণ্য রফতানি বাধাগ্রস্থ হওয়াসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনায় স্থান পায়।
উভয় দেশের কাস্টমস কর্মকর্তারা ব্যাপক আলোচনায় আমদানি-রফতানি বানিজ্যে বিরাজমান সমস্যা দ্রুত সমাধানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বেশ কিছু সিদ্ধান্ত তাৎনিক সমাধান হলেও কিছু কিছু সিদ্ধান্ত রাজস্ব বোর্ডের সাথে অলোচনা করে সমাধানের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। কাস্টমস সুত্র জানায়, আমদানি রফতানি বানিজ্যে বিরাজমান সমস্যা দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হলে উভয় দেশর মধ্যে আমদানি রফতানি বানিজ্য বাড়বে। পাশাপাশি বাড়বে সরকারের রাজস্ব আয়। সভায় বেনাপোল কাস্টমস হাউজের যুগ্ম কমিশনার ইসমাইল হোসেন সিরাজি, যুগ্ম কমিশনার আজিজুর রহমান, সহকারী কমিশনার কাজী ফরিদ উদ্দিন এবং ভারতের পে পেট্রাপোল কাস্টমসের সহকারী কমিশনার বিরেশ্বর পাল এবং জয়ন্ত কুমার উপস্থিত ছিলেন।
জামাল হোসেন, বেনাপোল, যশোর।
|