যশোরের শার্শা উপজেলার কৃষকরা একই জমিতে মিশ্র ফসল শীতকালীন সবজি মিষ্টি কুমড়া, লাল শাক আর মূলা চাষ করে সফল হয়েছে। শার্শা উপজেলার মাত্র ৮ কিলোমিটার দণি পশ্চিম সীমান্তের কোলঘেষে অবস্থিত পাঁচ ভুলোট গ্রাম। এ গ্রামের সফল চাষী নূহু সর্দার এবার একই জমিতে মিশ্র চাষ করে শীতকালীন সবজি মিষ্টি কুমড়া, লাল শাক আর মূলা উৎপাদন করে সফলতা অর্জন করেছেন।
১৩ বিঘা জমিতে কুমড়া চাষ করে এ পর্যন্ত ২ লাখ টাকার বেশি কুমড়া বিক্রি করেছেন। আর এখনো যা ক্ষেতে আছে তা বিক্রি করে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা হবে বলে আশা করছেন। ১৩ বিঘা জমিতে কুমড়া চাষে তার খরচ হয়েছে ৯০ হাজার টাকা।
উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, শার্শা উপজেলায় মোট আবাদি জমির পরিমাণ ২৯ হাজার ২৪০ হেক্টর। তার মধ্যে ১৩শ‘ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হয়েছে। এর ২‘শ ৬৮ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে মিষ্টি কুমড়া। কুমড়া চাষে এলাকার চাষীরা এবার বেশ সফল। তবে এ অঞ্চলের গোগা,পুটখালি,উলাশি এবং ডিহি ইউনিয়নে কুমড়া চাষ ব্যাপক ভাবে প্রসারিত হয়েছে। এ উপজেলায় ১২‘শ ৫০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষের ল্যমাত্রা হলেও চাষ হয়েছে ১৩‘শ হেক্টর যা ল্যমাত্রার চেয়ে ৫০ হেক্টর জমি বেশি। গ্রামাঞ্চল থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না থাকায় চাষীরা সবজি চাষ করে প্রকৃত মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তবে খুচরা বাজারে কুমড়ার দাম বেশি থাকলেও পাইকারী বাজারে দাম কম পাচ্ছে চাষীরা। কুমড়া চাষী নূহু সর্দার বলেন, মিশ্রচাষে শীতকালীন সবজি উৎপাদন করে বেশ লাভবান হয়েছি। মিষ্টি কুমড়া,লাল শাক ও মূলা চাষ করে কৃষকরা লাভবান হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন কুমার সরকার জানান, শার্শা উপজেলায় এবার শীতকালীন সবজি চাষে কৃষকরা বেশ সফল হয়েছে। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হলে চাষীরা আরও লাভবান হবে। ৬ হেক্টর জমিতে ৪ ফসল হয়েছে। আর মিশ্র ও সাথী ফসল হয়েছে ১২‘শ ৫০ হেক্টর জমিতে। এবার সবজি আবাদ বেশি।
জামাল হোসেন, বেনাপোল, যশোর। |